|

ভূমিকম্পের ভয় কমানোর হোমিও ঔষধ – প্রাকৃতিক উপায়ে মানসিক শান্তি

ভূমিকম্পের ভয় কমানোর হোমিও ঔষধ – প্রাকৃতিক উপায়ে মানসিক শান্তি – ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় আমাদের জীবনে হঠাৎ করেই আতঙ্ক তৈরি করতে পারে । এমন ভয় বা মানসিক চাপ কমাতে কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ও প্রাকৃতিক উপায় খুব কার্যকর হতে পারে ।

তবে মনে রাখবেন – এই ঔষধগুলো ভূমিকম্প প্রতিরোধ করে না, বরং ভয় ও মানসিক উদ্বেগ শান্ত করতে সাহায্য করে । কোনো ঔষধ ব্যবহারের আগে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি । 

আজকে আপনাদের মাঝে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক নিয়ে আলোচনা করব, আশা করছি আপনারা আমার সাথে থাকবেন । চলুন আলোচনা শুরু করা যাক।

Fear of earthquakes
Fear of earthquakes

Table of Contents

ভূমিকম্পের ভয় কমাতে সাহায্যকারী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ 

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীর ব্যক্তিগত মানসিক অবস্থা ও অদ্ভুত লক্ষণ ( Peculiar Symptoms) অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন করা হয়। নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ ও তাদের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো 

 

Aconitum Napellus( অ্যাকোনাইটাম ন্যাপেলাস) 

অ্যাকোনাইটাম ন্যাপেলাস মনকসহুড (Monkshood) বা উলফসবেন (Wolfsbane) নামে পরিচিত একটি বিষাক্ত উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয়।  

মূলত কাজ করে: এটি প্রধানত স্নায়ুতন্ত্র, রক্তসঞ্চালন তন্ত্র এবং শ্লেষ্মা ঝিল্লির উপর কাজ করে। ভূমিকম্পের মতো হঠাৎ ভয় বা আতঙ্কের সময় এটি খুব কার্যকর । Read more: হোমিও ঔষধের নামের তালিকা ও কাজ

মূল লক্ষণ 

  • হঠাৎ মৃত্যুভয় ও চরম অস্থিরতা 
  • বুক ধড়ফড় করা, ঠান্ডা লাগা 
  • সামান্য ভয়ের পরেই জ্বর বা কাঁপুনি শুরু 
  • এক মুহূর্তও স্থির থাকতে পারে না 
  • সামান্য পরিমাণে ঘন ঘন পানি পান করে 

 

Gelsemium Sempervirens( জেলসেমিয়াম সেম্পারভিরেন্স) 

জেলসেমিয়াম সেম্পারভিরেন্স – হলুদ জেসমিন (Yellow Jasmine) নামক একটি বিষাক্ত ফুলের গাছ থেকে তৈরি হয়।

মূলত কাজ করে: এটি প্রধানত – স্নায়ুতন্ত্র (nervous system), বিশেষ করে – মোটর স্নায়ু (motor nerves) এবং – শ্লেষ্মা ঝিল্লির (mucous membranes) উপর কাজ করে। রোগ যাই হোক তার সাথে যদি ভয় বা দুশ্চিন্তায় শরীর জমে যাওয়া বা অসাড় লাগলে এটি উপযোগী ।Read more: পিঠের ব্যথা সমস্যা ও ব্যথা দূর করার উপায়

মূল লক্ষণ 

  • ভয়ের কারণে শরীর দুর্বল, হাঁটতেও কষ্ট 
  • কাঁপুনি, গলা শুকিয়ে যাওয়া 
  • ভয়ের পর ঘন ঘন প্রস্রাব বা ডায়রিয়া 
  • চোখ ভারি লাগে, ঘুম আসে না 
  • হঠাৎ ভয় বা দুঃসংবাদে পক্ষাঘাতের মতো অনুভূতি 

 

Arsenicum Album( আর্সেনিকাম অ্যালবাম) 

আর্সেনিক – (খনিজ) সাদা আর্সেনিক অক্সাইড (Arsenic Trioxide – As2O3) থেকে তৈরি হয়।

মূলত কাজ করে: এটি প্রধানত – শ্লেষ্মা ঝিল্লি (mucous membranes), গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্ট, স্নায়ুতন্ত্র এবং ত্বকের উপর কাজ করে। রোগ যাই হোক তার সাথে যদি অতিরিক্ত উদ্বেগ, অস্থিরতা ও মৃত্যুভয় থাকে সে ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ করে । 

মূল লক্ষণ 

  • গভীর উদ্বেগ যা রাতে( ১টা – ২টার মধ্যে) বাড়ে 
  • সব কিছু পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন রাখার প্রবণতা 
  • গরমে উপশম পাওয়া জ্বালাযুক্ত ব্যথা 
  • ছোট ছোট চুমুকে পানি পান করে 
ভূমিকম্পের ভয় কমানোর হোমিও ওষুধ - প্রাকৃতিক উপায়ে মানসিক শান্তি 2
ভূমিকম্পের ভয় কমানোর হোমিও ওষুধ – প্রাকৃতিক উপায়ে মানসিক শান্তি

Ignatia Amara( ইগ্নেসিয়া আমারা) 

ইগ্নেসিয়া আমারা Strychnos ignati উদ্ভিদ থেকে তৈরি হয় ।

মূলত কাজ করে: এর প্রধান ক্রিয়াস্থল হলো আবেগপ্রবণ ব্যক্তি, যারা শোক, হতাশা, দুঃখ বা ভয়ের কারণে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক উপসর্গে ভোগেন। দুঃখ, শোক বা মানসিক আঘাত থেকে সৃষ্ট ভয়ের জন্য এটি উপকারী । 

 মূল লক্ষণ 

  • কান্না ও হাসির মিশ্র প্রতিক্রিয়া( একই সঙ্গে হাসা- কাঁদা) 
  • গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি 
  • দীর্ঘশ্বাস ফেলা বা হাই তোলা 
  • মিষ্টি খেলে মাথাব্যথা কমে 

 

Phosphorus( ফসফরাস) 

এটি মূলত – ফসফেট শিলা (phosphate rock)-  থেকে নিষ্কাশন করা হয়। 

মূলত কাজ করে: ফসফরাস হাড় ও দাঁত, কোষের শক্তি, DNA ও RNA, কোষ পর্দা ও Buffer System. যারা অন্ধকার, একা থাকা বা বজ্রপাতের শব্দে ভয় পান, তাদের জন্য ।Read more:যৌন দুর্বলতার হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা – স্থায়ী সমাধান ও কার্যকর উপায়

মূল লক্ষণ 

  • অন্ধকার বা একা থাকতে ভয় 
  • সহজে অন্যের কষ্টে কাঁদে 
  • ঠান্ডা পানি খেলে বমি হয় 
  • হাত – পা ঠান্ডা কিন্তু শরীর গরম 

 

ভূমিকম্পের ভয় Argentum Nitricum (আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম)

আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম – সিলভার নাইট্রেট (Silver Nitrate – AgNO3)** নামক একটি অজৈব লবণ থেকে তৈরি হয়।

মূলত কাজ করে: আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম- স্নায়ুতন্ত্র, শ্লেষ্মা ঝিল্লি, গলা এবং পরিপাকতন্ত্রের উপর কাজ করে। 

মূল লক্ষণ  উদ্বেগ, anticipatory anxiety (কোনো ঘটনার আগে অস্থিরতা), ভয়, তাড়াহুড়ো, স্নায়বিক দুর্বলতা এবং কাঁপুনি। 

মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা এবং ডায়রিয়া এর গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। অতিরিক্ত চিন্তা, আতঙ্কে পেট খারাপ, অস্থিরতা। “আবার যদি ভূমিকম্প হয়” এই ভয় ঘন ঘন মনে আসে।এই লক্ষণে এই ঔষধটি মন্ত্রের মত কাজ করে

 

Opium(ওপিয়াম) 

আফিম (Opium) হলো পপি গাছ (Papaver somniferum) থেকে তৈরি একটি প্রাকৃতিক মাদক।

এটি মূলত পপি গাছের অপরিপক্ক ফলের নির্যাস থেকে তৈরি হয়। এই নির্যাস শুকিয়ে আফিম তৈরি করা হয়। 

মূলত কাজ করে: কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র (Central Nervous System – CNS)- এর ওপর কাজ করে। তীব্র ভয়, শক বা ট্রমার পরে অসাড়তা বা ঘুম ঘুম ভাব থাকলে এটি কাজ করে । 

মূল লক্ষণ 

  • ভয়ের পর কিছুই অনুভব না করা 
  • গরমে শ্বাস নিতে কষ্ট 
  • ঘুমের সময় মুখ খোলা থাকে, নাক ডাকে 
  • ভয়ানক স্বপ্ন দেখা 

 

Kali Phosphoricum (ক্যালি ফসফরিকাম)

ক্যালি ফসফরিকাম – পটাশিয়াম ফসফেট (Potassium Phosphate – K3PO4) নামক একটি অজৈব লবণ থেকে তৈরি হয়।

মূলত কাজ করে: – স্নায়ুতন্ত্র, মস্তিষ্ক এবং রক্তকোষের উপর কাজ করে। দীর্ঘদিন ভয় বা টেনশনে মানসিক অবসাদ হলে।
মস্তিষ্কে ক্লান্তি, মন খারাপ, আত্মবিশ্বাস কমে এটি কাজ করে । 

ভূমিকম্পের ভয় কমানোর হোমিও ওষুধ - প্রাকৃতিক উপায়ে মানসিক শান্তি (1)
ভূমিকম্পের ভয় কমানোর হোমিও ওষুধ – প্রাকৃতিক উপায়ে মানসিক শান্তি

প্রাকৃতিক উপায়ে মানসিক শান্তি বজায় রাখুন 

 ১. গভীর শ্বাস- প্রশ্বাসের অভ্যাস করুন ধীরে ধীরে নাক দিয়ে শ্বাস নিন, কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে মুখ দিয়ে ছাড়ুন । এটি মনকে শান্ত করে ধ্যান ও যোগব্যায়াম করুন প্রতিদিন কয়েক মিনিট ধ্যান বা যোগব্যায়াম করলে মানসিক চাপ অনেক কমে । 

 ৩. প্রকৃতির সান্নিধ্যে থাকুন পার্কে হাঁটুন, গাছপালার কাছে সময় কাটান । এটি মানসিক প্রশান্তি আনে । নিয়মিত ব্যায়াম করুন ব্যায়াম শরীরে সুখহরমোন( Endorphin) বাড়ায়, যা মন ভালো রাখে । পর্যাপ্ত ঘুম নিন ঘুমের অভাবে ভয় ও উদ্বেগ বেড়ে যায় । প্রতিদিন অন্তত ৭ – ৮ ঘণ্টা ঘুম জরুরি । 

 ৬. সুষম খাবার খান প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি ও ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন । তাজা ফল, শাকসবজি খান । পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটান তাদের সঙ্গে কথা বলা মানসিক সমর্থন দেয় । 

 ৮. খবর সীমিত দেখুন ভূমিকম্প বা দুর্ঘটনার খবর বারবার দেখা উদ্বেগ বাড়ায় । 

 ৯. পূর্বপ্রস্তুতি নিন জরুরি কিট তৈরি রাখুন, পরিবারের সঙ্গে মহড়া দিন । এতে আত্মবিশ্বাস বাড়ে । 

 প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিন ভয় বা উদ্বেগ যদি দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে, হোমিওপ্যাথিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন । 

 

শেষ কথা 

ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়, কিন্তু সঠিক মানসিক প্রস্তুতি ও সচেতনতা ভয়ের প্রভাব অনেক কমিয়ে দিতে পারে । শান্ত থাকুন, প্রস্তুত থাকুন – আর নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিন । প্রয়োজন মনে করলে নিম্নের ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন।

Best homeopathic doctor

Near me homeopathic pharmacy

সিটি হোমিও হল

রূপায়ন মিলেনিয়াম স্কয়ার,দোকান নং-116
( গ্রাউন্ড ফ্লোর) উত্তর বাড্ডা, ঢাকা 1212,বাংলাদেশ।
01736181642

 

১. ভূমিকম্পের ভয় দূর করার উপায় ?

ভয় ও উদ্বেগ ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের স্বাভাবিক মানসিক প্রতিক্রিয়া । তবে মনে রাখবেন, এই অনুভূতিগুলো আপনার জীবনের নিয়ন্ত্রণ নেয়ার ক্ষমতা রাখে না ।

বরং সচেতন হোন – ভূমিকম্প সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জন করুন, একটি কার্যকর জরুরি পরিকল্পনা তৈরি করুন এবং নিয়মিত অনুশীলন করুন । এতে আপনি নিজের আত্মবিশ্বাস ও নিয়ন্ত্রণবোধ  বাড়াতে পারবেন, আর ধীরে ধীরে ভয় ও উদ্বেগও কমে যাবে ।

 

২. ভূমিকম্পে মানুষ ভয় পায় কেন ?

 ‘ সিসমোফোবিয়া’ বা ভূমিকম্পের ভয় হলো এমন এক মানসিক অবস্থা, যা প্রায়ই মৃত্যু, ধ্বংস ও প্রিয়জনদের হারানোর আশঙ্কার সঙ্গে যুক্ত থাকে ।

অন্য অনেক ভয়ের মতোই এটি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার প্রতিক্রিয়া নয় বরং এখানে ভয়ের মূল উৎস হলো নিজের পরিবার, ঘরবাড়ি ও পরিচিত পরিবেশ হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা ।

এই কারণে সিসমোফোবিয়া শুধু শারীরিক নয়, মানসিক নিরাপত্তার অনুভূতিকেও গভীরভাবে পরিবর্তন করে ।

 

 ৩. ভূমিকম্প হলে কি বমি বমি ভাব হয় ?

ভূমিকম্প শুধু ধ্বংসই নয়, গুরুতর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকিও সৃষ্টি করে । এর মধ্যে একটি হলো ভূমিকম্প- পরবর্তী মাথা ঘোরা সিন্ড্রোম(Post-Earthquake Dizziness Pattern- PEDS), যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি মাথা ঘোরা, ভারসাম্যহীনতা, বমি বমি ভাব এবং চলাচলের অস্থিরতা অনুভব করেন ।

 

৪. Hippopotomonstrosesquippedaliophobia কি একটি বিরল ফোবিয়া ?

অন্যদিকে, কিছু মানুষ তুলনামূলকভাবে অপ্রচলিত ভয়েও ভোগেন – যেমন হিপ্পোপোটোমনস্ট্রোসেসকুইপেডালিওফোবিয়া, অর্থাৎ লম্বা শব্দের প্রতি ভয় । এই ধরনের নির্দিষ্ট ফোবিয়া প্রায় ৩ থেকে ১৫ মানুষের মধ্যে দেখা যায় । যদিও এটি তুলনামূলকভাবে বিরল, আক্রান্ত ব্যক্তির জীবনে এর প্রভাব অত্যন্ত গভীর ও কষ্টদায়ক হতে পারে ।

 

৫. ভূমিকম্পে কি মারা যায় ?

ভূমিকম্পের সময় অধিকাংশ আঘাত ও মৃত্যুর কারণ হলো ভবনের দেয়াল ধসে পড়া, উড়ন্ত কাঁচের টুকরো, এবং ভারী বস্তু পড়ে যাওয়া । তাই ভূমিকম্পের সময় নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেওয়া ও প্রাথমিক নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলা জীবন বাঁচাতে সাহায্য করতে পারে ।

 

৬. ৯ মাত্রার ভূমিকম্প কি সত্যিই সম্ভব ?

হ্যাঁ, ৯.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প বাস্তবেই ঘটেছে । উদাহরণস্বরূপ, ১৯৫২ সালে রাশিয়ার কামচাটকা অঞ্চলে ৯.০ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্প ঘটে, যার ফলে বিশাল সুনামি হাওয়াই উপকূলে আঘাত হানে এবং প্রায় ১ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি ক্ষতি হয় ।

আবার ২০১১ সালে জাপানে ৯.১ মাত্রার ভূমিকম্প ও পরবর্তী সুনামি ঘটে, যা বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে ইতিহাসে স্থান পেয়েছে ।

 

৭. ভূমিকম্পের 3P কি ?

ভূমিকম্প মোকাবিলায় তিনটি মৌলিক ধাপকে “ 3P ” বলা হয় — vaticination( ভবিষ্যদ্বাণী), Protection( সুরক্ষা) এবং Preparedness( প্রস্তুতি) ।

  1. Prediction অর্থাৎ ভূমিকম্পের সম্ভাবনা ও ঝুঁকি সম্পর্কে বৈজ্ঞানিকভাবে পূর্বাভাস জানা ।
  2. Protection মানে নিরাপদ ভবন নির্মাণ, সঠিক আশ্রয় এবং নিজেকে দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করার ব্যবস্থা ।
  3. Preparedness হলো জরুরি অবস্থায় কী করতে হবে তা আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখা এবং নিয়মিত অনুশীলন করা ।

 

৮. ভূমিকম্পজনিত অসুস্থতা কতদিন স্থায়ী হতে পারে?

কিছু মানুষ ভূমিকম্পের পর “ মোশন ইলনেস ” বাPost-Earthquake Dizziness – এ আক্রান্ত হন, যেখানে মনে হয় শরীর নড়ছে বা ভারসাম্য হারিয়ে গেছে । নর্থওয়েস্টার্ন মেডিসিনের ডা. ল্যান্ডন ডুইকার মতে, এ ধরনের উপসর্গ কয়েকদিন থেকে শুরু করে কখনও কখনও মাসের পর মাস পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে – যেমনটা কিছু মানুষ ক্রুজ বা নৌযাত্রা শেষে অনুভব করেন ।

 

৯. ভূমিকম্প হওয়ার আগে কি মানুষ তা অনুভব করতে পারে?

অনেকে দাবি করেন যে তারা ভূমিকম্পের আগে কিছু বিশেষ লক্ষণ – যেমন অস্বস্তি, চাপ বা প্রাণীর অস্বাভাবিক আচরণ – অনুভব করেন । তবে এখন পর্যন্ত এই দাবিগুলোর কোনো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি । অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব লক্ষণের পর কোনো ভূমিকম্প ঘটে না ।

 

১০. ভূমিকম্পের সময় শান্ত থাকার উপায়

ভূমিকম্পের সময় শান্ত থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ । আপনি যদি ঘরের ভেতরে থাকেন, তবে ভবনের কেন্দ্রস্থলে বা মজবুত দেয়ালের পাশে আশ্রয় নিন । ভারী আসবাবের নিচে( যেমন টেবিল বা ডেস্ক) আশ্রয় নিন এবং জানালা বা বাইরের দরজা থেকে দূরে থাকুন।

আপনি যদি বাইরে থাকেন, তাহলে বৈদ্যুতিক খুঁটি, গাছ বা ভবনের কাছ থেকে সরে গিয়ে খোলা জায়গায় অবস্থান করুন। শান্ত মনোভাব ও দ্রুত সিদ্ধান্তই জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে ।

Resources: https://www.homeopathy360.com

আপনি পড়তে পারেন

প্রোস্টেট গ্ল্যান্ড এর সমস্যা

হোমিওপ্যাথি কোন রোগের কি ঔষধ

homeopathic medicine for weight loss

গর্ভাবস্থা ডায়াবেটিস যেসব সতর্কতা আপনার জরুরী

https://cityhomeo.com/is-it-better-to-eat-after-a-workout/

Junk food and healthy food paragraph

https://cityhomeo.com/junk-food-and-healthy-food/

Varicocele treatment without surgery

https://cityhomeo.com/varicocele-treatment-without-surgery/

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *