স্ত্রীরোগ (২০২৫) 

স্ত্রীরোগ (২০২৫) হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা – স্ত্রীলোকদের এমন কিছু রোগ লক্ষণ আছে যেগুলি তাহাদের একান্তই নিজস্ব।মহিলাদের রোগ গুলো চিকিৎসা করা একান্ত জরুরী। আজকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক নিয়ে আলোচনা করব, আশা করি আপনারা আমার সাথেই থাকবেন। প্রথমেই জেনে নেই

স্ত্রীরোগ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি মতে
স্ত্রীরোগ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি মতে

স্ত্রী রোগ কি?

স্ত্রীলোকদের জনন যন্ত্র সংক্রান্ত রোগ লক্ষণ সমূহই মূলত: স্ত্রীরোগ।এই সমস্যাগুলির মূলত একসময় বৃহৎ আকার নিয়ে দেখা দেয়।

স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত সমস্যা

মহিলাদের জনন যন্ত্র স্বাস্থ্যের অসুস্থতাকে স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত সমস্যা বলা হয়।এই রোগ গুলো শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসার না নিলে মহিলাদের শারীরিক ও মানসিক দু দিক থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়।

এই রোগগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হইতেছে অনিয়মিত ঋতুস্রাব (Irregular menstruation), ঋতুস্রাবে বিলম্ব অথবা প্রথম ঋতুস্রাবে বিলম্ব (Delayed menstruation or Delayed in girl’s first menses), অতিরিক্ত ঋতুস্রাব ও জরায়ুর স্রাব (Menorrhagia & Metrorrhagia), ঋতুর অভাব (Amenorrhea), কষ্ট ও বেদনাযুক্ত ঋতুস্রাব (Dysmenorrhea),

রজ়োনিবৃত্তি(Menopause or Change of life), কামোম্মাদ (Nymphomania), গর্ভপাত (Abortion), বন্ধ্যাত্ব (Infertility), জরায়ু নেমে আসা (Prolapse), ডিম্বনালীর প্রদাহ (Salpingitis), মূর্ছা রোগ (Hysteria), জরায়ু উল্টে যাওয়া (Retrovertion),

প্রদর স্রাব (Leucorrhea), জরায়ুর টিউমার (Uterine fibroid, ডিম্বাধার, জরায়ু ও স্তনদ্বয়ের ক্যান্সার (Cancer of the Ovaries, Uterine & Mammae), জরায়ুর পলিপ (Uterine Polyp), গর্ভ সংক্রান্ত মূর্ছা (Eclampsia), ইত্যাদি।

ইহা ছারাও আছে গর্ভধারণ কালীন নানা প্রকার রোগ লক্ষণ  যেমন– গর্ভিনীর  কোষ্ঠবদ্ধতা, উদরাময়, অনিয়মিত মূত্রবেগ, গর্ভকালীন বমন, গর্ভকালীন রক্তস্রাবের বিশৃংখলা ইত্যাদি।

আবার প্রসূতির প্রসবান্তে কিছু রোগ লক্ষণ আছে। যেমন– প্রসবান্তে রক্তস্রাব (Post partum Haemorrhage), ফুল পড়িবার বিলম্ব (Retained placenta), ভ্যাদাল ব্যাথা (After Pains), প্রসবান্তে রক্তস্রাবের বিশৃংখলা (Disordered Condition of the Lochia), সূতিকা জ্বর (Puerperal Fever),  প্রসূতির স্তন দুগ্ধস্রাবের বিশৃংখলা (Disorderof Lactation), ইত্যাদি ।

উপরে যে সমস্ত রোগের নাম উল্লেখ করা হইল সেগুলি সবই বিসদৃশ চিকিৎসকদের দৃষ্টিতে রোগ। আর আমাদের হোমিওপ্যাথির দৃষ্টিতে ঐ সবই হইতেছে রোগের ফল। মনে রাখিতে হইবে যে, হোমিওপ্যাথিতে রোগের নামে চিকিৎসা হয় না।

হোমিওপ্যাথি মতে চিকিৎসা করিতে হইলে রোগের নাম ভুলিয়া যাইতে হইবে এবং লক্ষণ সমষ্টির মাধ্যমে রোগীর ঔষধটি কি তাহাই খুঁজিয়া বাহির করিতে হইবে।

Read More:সাইকোসিস মায়াজম

লক্ষণ সমষ্টি কি ?

লক্ষণ সমষ্টি হইতেছে রোগীর রোগের সাধারণ লক্ষণ ও রোগীর বিশেষ লক্ষণের সমষ্টি। রোগের সাধারণ লক্ষণ শুধু মাত্র রোগের মধ্যে পাওয়া যায়। আর রোগীর বিশেষ লক্ষণ শুধু মাত্র রোগীর মধ্যে পাওয়া যায়। রোগী পুরু বা মহিলা কিংবা শিশু যেই হোকনা কেন রোগীর বিশেষ লক্ষণের সমষ্টির মাধ্যমেই ঔষধ নির্বাচন করিতে  হইবে।

স্ত্রীরোগ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি মতে
স্ত্রীরোগ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি মতে

রোগীর চিহ্ন ও লক্ষণের সমষ্টির মাধ্যমে আমরা রোগ এবং রোগীকে চিনিতে পারি।
যেমন কোন রোগীর মধ্যে আমরা যদি পাই অত্যন্ত খিটখিটে মেজাজ়,গোপন প্রিয়তা, সন্দেহ প্রবণতা, আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তনেই রোগ লক্ষণের বৃদ্ধি, শরীরে আঁচিল, টিউমার, মাংস বৃদ্ধি তাহলে আমরা নিশ্চিত হইতে পারি স্ত্রীরোগ এ এই রোগীর রোগটি হইতেছে সাইকোসিস।

রোগীর শরীরে আঁচিল, টিউমার, মাংস বৃদ্ধি ইত্যাদি হইতেছে চিহ্ন  (sign) যাহা রোগ চিনিতে আমাদের সাহায্য করিল কিন্তু ঔষধ নির্বাচনে বিশেষ ভূমিকা রাখিবে না। ঔষধ নির্বাচনের জন্য আমাদের দরকার শুধু মাত্র রোগীর ইচ্ছা অনিচ্ছা, যাহার মধ্যে থাকিবে রোগীর মানসিক ও সার্বদৌহিক লক্ষণ সমূহ।

মনে রাখিতে হইবে আঙ্গিক লক্ষণের মূল্য নাই বলিলেই চলে। আর একটি লক্ষনীয় বিষয় হইতেছে স্ত্রীযন্ত্রে যত সব রোগ লক্ষণ দেখা যায় তাহার বেশীর ভাগই হইতেছে সাইকোসিস মায়াজম জনিত। সিফিলিস মায়াজম জনিতও হইতে পারে তবে তাহা খুবই কম।

আর সোরাতো আছেই কম আর বেশী, কারণ সোরা না থাকিলে অন্য কোন মায়াজম আসিতেই পারে না। এই ধরনের ক্ষেত্রে যে সমস্ত রোগ লক্ষণ আমরা পাইব তাহা অবশ্যই ক্রনিক মায়াজম জনিত লক্ষণ। অন্য কথায় ক্রনিক ডিজিজের লক্ষণ। কি করিয়া নিশ্চিত হইব কোনটি কোন মায়াজম জনিত রোগ?

তিনটি ক্রনিক রোগের উপর পূর্ণাংগ ধারনা থাকিলে ইহা বুঝা কঠিন নয়। রোগীর চিহ্ন ও লক্ষণ সমূহ লিপিবদ্ধ করিয়া যদি দেখা যায় যে, রোগীর লক্ষণ সমষ্টির মধ্যে শুধুই কার্যগত বিশৃংখলা পাওয়া যাইতেছে কোন প্রকার যন্ত্রগত বিশৃংখলা নাই, তাহলে বুঝিতে হইবে রোগীর বর্তমান রোগটি হইতেছে সোরা।

অর্থাৎ বর্তমানে রোগী সোরার লক্ষণে ভূগিতেছে। আর যদি দেখা যায় যে, কার্যগত বিশৃংখলার সাথে যন্ত্রগত পরিবর্তনও আসিয়াছে তাহলে বুঝিতে হইবে যে সোরার সাথে সাইকোসিস বা সিফিলিসের সংমিশ্রন ঘটিয়াছে অথবা দুইটি মায়াজমই সোরার সাথে জট পাকিয়েছে। এক্ষেত্রে লক্ষণ সাদৃশ্যে একটি মাত্র মায়াজমেরই লক্ষণ পাওয়া যাইবে।

অর্থাৎ লক্ষণ সাদৃশ্যে যে ক্রনিক রোগ ধরা পড়িবে ঐ রোগেরই লক্ষণ সাদৃশ্যে ঔষধ নির্বাচিত হইবে। যাইহোক, স্ত্রীরোগও যাহাই হোকনা কেন সোরা এখানেও শুধু কার্যগত বিশৃংখলাই আনয়ন করিতে পারে যন্ত্রগত নয়। এই অবস্থায় কিভাবে ঔষধ নির্বাচণ করিবেন?

সোরা

মনে রাখিতে হইবে, সোরার প্রধান বৈশিষ্ট্য হইতেছে সোরা অত্যন্ত অনুভূতি প্রবণ, চঞ্চল, ভীত, সর্ব সময় ক্ষুধার্ত, টক ও মিষ্টি প্রিয় এবং গরম খাবারই তার পছন্দ। পেটে বা শরীরের অন্যান্য স্থানে শূন্যতা বোধ সোরার আর একটি উল্লেখ যোগ্য বৈশিষ্ট্য।

আগেই বলা হইয়াছে রোগ লক্ষণ শরীরের যে স্থানেই প্রকাশিত হোক না কেন সেখানে যন্ত্রগত কোন পরিবর্তন করার যোগ্যতা সোরার নাই। সোরার যাবতীয় রোগ লক্ষণ বিশেষ করিয়া মানসিক আবস্থাটি পূর্ণিমায় ও চন্দ্র মাসের প্রথম দিকে বৃদ্ধি পায়

রোগ যাহাই হোকনা কেন স্রাবের ক্ষতকারীত্ব ভাব না থাকিলে তাহা সোরিক এবং তৎবিপরীত জ্বালাকর বা হাজাকর স্রাব সাইকোসিসকে নির্দেশ করে। সোরার নানা রকম কার্যগত বিশৃংখলা সাধারনত সঞ্চালনে, প্রাত কালে, সূর্যতাপে বৃদ্ধি পায় এবং স্থির ভাবে বসিয়া থাকিলে,শয়নাবস্থায় ও নির্জনতায় এবং বাহ্যিক উত্তাপ প্রয়োগে উপমশ হয়।

সাইকোসিস

আগেই বলা হইয়াছে যে, সাইকোসিসের চিহ্ন ও লক্ষণ (sign & symptom) হইতেছে  গোপনপ্রিয়তা, হিংসাপরায়নতা, খিটখিটে মেজাজ, আবহাওয়ার পরিবর্তনে রোগ লক্ষণের বৃদ্ধি, ঘুরিয়া বেড়াইলে রোগ লক্ষণের উপশম, আঁচিল, টিউমার, মাংস বৃদ্ধি ইত্যাদি।

সাইকোসিসের সমস্ত ব্যথা বেদনা চাপে উপশম। সাইকোসিস শরীরাভ্যন্তরে নানা প্রকার প্রদাহ উৎপন্ন করে এবং এই প্রদাহ স্ত্রীলোকের ক্ষেত্রে জরায়ু, ডিম্বাধার এবং ডিম্বনালীতেই বিশেষ ভাবে বিকশিত  হইতে দেখা যায়।

রোগীর মনটি সর্বদাই জননেন্দ্রিয়ের উপর পড়িয়া থাকে এবং সর্ব সময়ই রোগী ঐ যন্ত্রটি পরীক্ষা করিতে থাকে।বন্ধ্যাত্ব রোগ সাইকোসিসেরই ফল। সাইকোসিসের স্রাব এতই ক্ষতকর যে রোগী দূর্বল হইয়া পড়ে।

যাইহোক, রোগ লক্ষণ শরীরের যেখানেই দেখা দিকনা কেন রোগীর চিহ্ন ও লক্ষণ (sign & symptom) লিপিবদ্ধ করিয়া আমরা রোগীর রোগ কি অর্থাৎ সোরা, সিফিলিস না সাইকোসিস তাহা নির্ধারণ করিব এবং তাহার পর রোগীর লক্ষণ সমষ্টির সাদৃশ্যে একটি ঔষধ নির্বাচন করিব।

সুতরাং স্ত্রীলোকের লক্ষণ সমষ্টিই হইতেছে ঐ স্ত্রীলোকটির রোগ। যদি সাইকোসিস নামক ক্রনিক ডিজিজকে নির্দেশ করে তাহলে রোগীর বিষেশ লক্ষণের সাদৃশ্যে একটি সাইকোসিস প্রধান ঔষধ নির্বাচণ করিতে হইবে। তাহার রোগ কি তাহা আমাদের দেখার বিষয় নহে।

সিফিলিস

স্ত্রীলোকের জরায়ুর ক্যান্স্যার,স্তনে ক্যান্সার, যোনীদ্বার হইতে ক্ষতকারী যে কোন প্রকার দূর্গন্ধ স্রাব, সুতার মত লম্বা লম্বা স্রাব, যোনী পথে দূর্গন্ধ, যোনী পথে স্পর্শ কাতরতা, যোনী কপাটে ক্ষত, ঋতুকালে মলদ্বারে বেদনা, ঋতুকালে নৈরাশ্য ও ভয়, গর্ভস্রাব, প্রচুর ঋতুস্রাব ইত্যাদি যাবতীয় রোগ লক্ষণ সমূহ যদি রাত্রেই বৃদ্ধি পায়।

রোগীর মধ্যে যদি থাকে মানসিক নৈরাশ্য ও আত্নহত্যার  প্রবণতা তাহলে এই রোগীর রোগ যে সিফিলিস তাহাতে কোন সন্দেহ নাই। অর্থাৎ উপরে যে রোগের নাম গুলি উল্লেখ করা হইয়াছে সেগুলি হোমিওপ্যাথির দৃষ্টিতে রোগ নয় বরং রোগের ফল। অন্য কথায় রোগটি ক্রনিক রোগ সিফিলিস।

স্ত্রীরোগ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি মতে
স্ত্রীরোগ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি মতে

আগেই বলা হইয়াছে যে, রোগ যাহাই হোকনা কেন রোগীর ইচ্ছা অনিচ্ছার ভিত্তিতে ঔষধ নির্বাচন হইবে। যেহেতু এই রোগ লক্ষণগুলি মায়াজম জনিত, মায়াজমেটিক লক্ষণ সমষ্টির ভিত্তিতেই ঔষধ নির্বাচন হইবে।

রোগীর ইচ্ছা অনিচ্ছা জানিতে পারিলেই তাহার মধ্যে মায়াজমেটিক কারুকার্য কতটুকু ঘটিয়াছে তাহা জানা সম্ভব। রোগী যদি সিফিলিসের হয় তাহলে তাহার মধ্যে পাওয়া যাবে, পচন বা ক্ষত, দুর্গন্ধ ঘর্মের আধিক্য অথচ তাহাতে উপশমের অভাব, রাত্রে বৃদ্ধি, ও মানসিক নৈরাশ্য যাহা সিফিলিসের মর্মবানী।

টিউবারকুলার

স্ত্রীলোকের জরায়ুর ও ডিম্বধার সংক্রান্ত বেশ কিছু রোগ বা রোগ লক্ষণ যেমন দারুন দূর্বলতা, প্রচুর উজ্জল লাল বর্ণের ঋতুস্রাব, মাথা ঘোরা, মাথা ব্যথা, কোমর ব্যথা,সংজ্ঞা লোপ, হজমের গোলযোগ ইত্যাদি লক্ষণ গুলি দিনের পর দিন চলিতে চলিতে মধ্যে কিছু দিনের জন্য অবসান হইয়া আবার আবির্ভূত হয়।

উদরাময় সহ ঋতুস্রাবের আবির্ভাব, ঋতুকালীন জ্বর, চোখে নানা প্রকার বর্ণ দেখা, কর্নে নানা প্রকার আওয়াজ শোনা, ক্ষুধার অভাব, বিবমিষা,বমি ইত্যাদি  সবই টিউবারকুলার মায়াজমের ফল। ঋতুস্রাবের কয়েক দিন পর পর্যন্ত রোগী খুবই দূর্বল বোধ করিতে থাকে।

ঋতু অবসানে রোগীর চক্ষু কোটরাগত, চোখের চারদিকে কালিমাময় ইত্যাদি অবস্থাসহ রোগী একেবারে রক্তশূন্য ও অবসন্ন হইয়া পড়ে।ঐ প্রকার মাতার সন্তানেরা প্রসবাগার হইতে শুষ্ক জাতীয় ক্ষয় পীড়ায় ভূগিয়া মৃত্যু মুখে পতিত হয়। আরও দুই একটি প্রসবের পর তাহাদের জরায়ুর নানা প্রকার স্থানচ্যুতি বা বহির্নিগমন আসিয়া রোগীর জীবনটি দূর্বিসহ করিয়া তুলে।

এ অবস্থায় কাহারও বা বলক্ষয়কারী প্রদরস্রাব দেখা দেয়। লক্ষ্য করিলে দেখিবেন এই প্রদর স্রাবটি সাধারণত মাসিকের পূর্বে বা পরেই  নির্গত হয় এবং উহা এমনই ক্ষতকারী যে, যেস্থানে লাগে সেস্থানে সুড়সুড় করে, চুলকায় এবং চুলকাইলে সেই স্থানটিতে ক্ষত পর্যন্ত দেখা দেয়। এই স্রাব নানা বর্ণেরই হইতে পারে তবে ইহা তরল।

উপরে একজন স্ত্রীলোকের যে রোগ লক্ষণ আলোচিত হইল তাহা টিউবারকুলার মায়াজমের ফল। অর্থাৎ, উপরোক্ত লক্ষণ গুলির রোগী একজ়ন টিউবারকুলার মায়াজমের রোগী। তাহাকে উপরোক্ত আংগিক লক্ষণ কিংবা স্রাবের পরিমাণ কিংবা স্রাবের বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করিয়া ঔষধ দেওয়া যাইবে না।

Read more:হোমিওপ্যাথি টিউবারকুলার মায়াজম

হোমিওপ্যাথি ওষুধের নাম ও কাজ

মনে রাখিতে হইবে, অন্যান্য রোগীর মত এই রোগীকেও রোগীর বিশেষ লক্ষণের ভিত্তিতে টিউবারকুলার মায়াজমের চিকিৎসা দিলে এই স্ত্রীরোগীর সমস্ত রোগ লক্ষণই চলিয়া যাইবে।টিউবারকুলার রোগীর ইচ্ছা অনিচ্ছা হইতেছে মানসিকভাবে রোগী সর্বদাই অসন্তুষ্ট, অসহিষ্ণু, চঞ্চল ও সর্ব বিষয়ে পরিবর্তনশীল।

সে সর্বাবস্থায়ই আশাবাদী। রোগী কুকুরকে ভীষণ ভয় করে। রোগীর নানা যন্ত্রের নানা রোগ লক্ষণ নানা সময়ে নানা ভাবে আবির্ভূত হয়। বিনা কারণে বা সামান্য কারণে ঠান্ডা লাগার একটি ভীষণ প্রবণতা টিউবারকুলার রোগীর বৈশিষ্ট্য। যাহা খাইলে রোগ লক্ষণ বৃদ্ধি পাইবে তাহাই সে খাইবে, যাহা করিলে অসুবিধা হইবে বা যাহা বলিলে মন্দ হইবে তাহাই সে করিবে বা বলিবে। এই হলো স্ত্রীরোগ চিকিৎসা হোমিওপ্যাথি মতে।

Resources:

https://webbys.pages.dev/46/hNaBELwzGW

Similar Posts