পিত্তথলির পাথর গলানোর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
পিত্তথলির পাথর গলানোর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ- আজকে অতি গুরুত্বপূর্ণ এই টপিক নিয়ে আলোচনা করব আশা করি আপনারা আমার সাথেই থাকবেন। চলুন আলোচনা শুরু করা যাক। প্রথমে জেনে নিয়া যাক কি কি টপিক নিয়ে আলোচনা করব-
- পিত্তথলির পাথর কাকে বলে
- পিত্তথলির পাথর গলানোর ঔষধ
- পিত্তথলির পাথর কেন হয়
- পিত্তথলির পাথর এর কারণ
- পিত্তথলির পাথর এর লক্ষণ

পিত্তথলির পাথর(Gall stone) কাকে বলে
অনেক সময় কোন কারণ বশত পিত্তকোষে অথবা পিত্তবাহী নালীতে পিত্তরস জমাট বেঁধে পাথর কণা আকার ধারণ করে এই অবস্থাকে পিত্তথলির পাথর বলা হয়। “Gall stone formation is the commonest disorder of the biliary tract. Indeed, gall bladder disease in its absence is a rarity,”–Davidson’s prin- ciple and practice of medicine
অর্থাৎ পিত্তবাহী নালীর কোন অসুবিধা দেখা দিলে এই রোগটি হতে পারে। সচরাচর এই রোগটি অন্য কোন কারণে হয় না। রোগীর পিত্তকোষে (Gall bladder) যে পিত্তথলির পাথর হয় তার আকার এবং প্রকার বিভিন্ন।
এটা ছোট বড় মাঝারী গোলাকার, সাদা, কালো, কাটা, সবুজ বর্ণ ইত্যাদি হতে পারে।এটা বালুকা কণার মত অথবা পায়রার ডিমের মত বা সুপারির বিচির মত কালো আকারে হতে পারে। একটি অথবা একাধিক পাথরী পিত্তকোষে জন্মে ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে।
বর্তমানে এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অত্যন্ত বেশী। এই পাথর যতদিন পিত্তকোষে আবদ্ধ থাকে ততদিন রোগী তেমন বিশেষ অস্বস্তি বোধ করে না, মাঝে মাঝে সামান্য ব্যথার অনুভব করে।
কিন্তু যখন পিত্তকোষ হতে এই পাথরী পিত্তনালীর মধ্যে এসে পড়ে তখনই অসম্ভব ব্যথার সৃষ্টি হয়, রোগী অস্থির হয়ে পড়ে। এই ব্যথাকে পিত্তশূল Biliary colic বলা হয়।
পিত্তথলির পাথর গলানোর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ
হোমিওপ্যাথিতে কোন অপারেশন না করেই শুধু ঔষধ দিয়েই বেশিরভাগ পিত্তথলির পাথর দূর করা যায়। এমনকি প্রচন্ড ব্যথায় এই ঔষধগুলো দ্রুত কাজে দেয়। চলুন জেনে নেই সেই ঔষধগুলো কি কি?
- Carduus Marianus
- Cholesterinum
- Calcarea Carb
- Arnica Montana
- Berberis vulgaris
- Chelidonium
- Ceanothus Americanus
- China
- Digitalis purpurea
- Dioscorea
- Hydrastis
- Laurocerasus
- Lycopodium Clavatum
চলুন সেই ঔষধগুলো নিয়েই আলোচনা করি।
Carduus Marianus
কার্ডয়াস মেরিয়েনাস: পিত্তজনিত ব্যথায় এটা বিশেষ উপকার। লিভারের(liver) বিশেষ করে এর উপরের বাম অংশে ব্যথায় এটা ভাল কাজ করে। এই ঔষধটির প্রধান ক্রিয়াকেন্দ্র লিভার এবং লিভারে শিরামণ্ডলে। ব্যথা ও স্পর্শকাতরতার সঙ্গে পিত্তকোষ প্রদাহ। লিভার রোগের সঙ্গে রক্তস্রাব। লিভার বৃদ্ধি সহ পিত্তথলির পাথর রোগ।
Cholesterinum
কোলেস্টেরিনাম: লিভার রোগে এটা বিশেষ উপকারী। লিভারের ক্যানসার, লিভারে রক্তাধিক্য, প্রচণ্ড ব্যথা, চলাফেরার সময় রোগী লিভার স্থানে হাত দিয়ে চেপে ধরে,পত্তপাথরী। ডাঃ সোয়ান এর করে আশ্চর্য ফল লাভ করেন। ডাঃ বার্নেট পত্তপাথরী রোগের বিভিন্ন অবস্থায় এর ব্যবহার করে উপকার লাভ করেন।
Read More:এব্রোটেনাম হোমিও ঔষধ
Calcarea Carb
ক্যালকেরিয়া কার্ব: পিত্তথলির পাথর রোগে এটা চমৎকার ঔষধ। পিত্তথলির পাথরর ব্যথাসময় এটা ঘন ঘন প্রয়োগ করলে করলে পিত্তথলির পাথরর ব্যথা নিরাময় হয়। ডাঃ হিউজেশ বলেন “It has never failed e.” অবনত হলে লিভার স্থানে ব্যথা লাগে। ক্যালকেরিয়া রোগী মোটা, ফর্সা, থেলে এবং ঘর্ম প্রধান। তার গাত্র শীতল, ভিজা ভিজা এবং টক গন্ধ থাকে।
Arnica Montana
আর্ণিকা: শূল ব্যথার পর টাটানির মত ভাব থাকলে এটা প্রয়োজন। পাঁজরের খাঁচায় সূঁচ ফোটানো ব্যথা, পেটে খোঁচামারা ব্যথা। মনে হয় পাকস্থলীর মধ্যে কাঁটা ঢুকানো আছে।
Berberis vulgaris
বার্বারিস ভালগেরিস: পিত্তথলির পাথর রোগে এর ব্যবহার অকল্পনীয়। পিত্তকোেষের নিকটবর্তী অংশে খোঁচামারা ব্যথা। চাপ দিলে ও পেট ফোললে ব্যথার বৃদ্ধি পিত্তকোেষের জ্বালা তৎসহ কোষ্ঠকাঠিন্যের ভাব, ইলিয়াম স্থানে খোঁচামারা ব্যথা।
বিশেষ লক্ষণ ব্যথার লক্ষণ পরিবর্তনশীল, স্থান ও প্রকৃতি পরিবর্তনশীল, রোগী একবার তৃষ্ণার্ত হয় আবার পিপাসা শূন্য হয়ে পড়ে, একবার ক্ষুধা হয় আবার ক্ষুধাহীনতার ভাব দেখা দেয় । পুনঃপুনঃ মল বেগ
Chelidonium
চেলিডোনিয়ান: এটা লিভার রোগের ঔষধ। লিভার রোগের বিভিন্ন অবস্থায়তা এর প্রয়োজন পরে। লিভার ও পিত্তকোষের ক্রিয়ার অভাব বর্ধিত এবং পিত্তথলির পাথর। ভয়ানক কোষ্ঠকাঠিন্য,মল শক্ত, ভেড়ার নাদের মত। মল আঠাযুক্ত মাটির বর্ণ।
Ceanothus Americanus
সিয়ানোথাস: লিভার রোগে একটি উপকারী ঔষধ। পিত্তথলির পাথরতে এর ব্যবহার বিশেষ ফলদায়ক। নাভিদেশে ব্যথা এবং কামড়ানি চিন চিন করে ব্যথা, মনে তলপেট একগাছা দড়ি দিয়ে বাধা আছে, ঐ দড়ি একবার যেন কষে ধরছে আর একবার যেন ঢিলা করে দিচ্ছে। কোষ্ঠকাঠিন্য, কাদার মত মল, জিহ্বা হরিদ্রা বর্ণ এবং কন্টকপূর্ণ। জন্ডিস রোগ, প্লীহা (Spleen) বৃদ্ধি।

China
চায়না: অবসাদকর স্রাব, জীবনীশক্তি বর্ধক যে কোন রসের ক্ষয়, স্নায়বিক উত্তেজনা প্রভৃতি ক্ষেত্রে এর প্রয়োজন। পেটে পিত্তথলির পাথরজনিত শূল ব্যথা, অত্যাধিক শূল ব্যথাসহ পেট ফাঁপ, তলপেটে বায়ু জন্মে। প্লীহা ও লিভারবৃদ্ধি, জন্ডিস রোগ, পাকাশয় ও তলপেট অত্যন্ত শীতলতা বোধ । মল নরম, অতিকষ্টে নির্গত হয়।
Digitalis purpurea
ডিজিটেলিস: লিভার স্ফীত ও কঠিনতা কারণে জন্ডিস রোগ। এর রোগী সামান্য পরিশ্রম করলে অবসন্ন হয়ে পড়ে। লিভারের অথবা মস্তিষ্কের রোগে উঠে দাঁড়ালে বা চলতে গেলে মাথা ঘোরানো ভাব দেখা দেয়।
পাকস্থলীতে অত্যন্ত দুর্বলতা, পাকস্থলীর জ্বালা অন্ননালী পর্যন্ত প্রসারিত। শীতল জল খেলে কপালে ভীষণ ব্যথা দেখা দেয়। লিভার বর্ধিত এবং ব্যথাযুক্ত। মল সাদা খড়ি মাটির মত, আঠা আঠা।
Dioscorea
ডায়োস্কোরিয়া: (গাছ আলু) এটি ব্যথার ঔষধ বিশেষ করে শূলব্যথা।ভোর বেলায় মুখ শুষ্ক থাকে এবং জিহ্বা ময়লার প্রলেপযুক্ত, তৃষ্ণাহীনতা, প্রচণ্ড দুর্গন্ধযুক্ত গ্যাস উদগার। পাকাশয়ের স্নায়ুশূল, পাকাশয়ে শূন্যতাবোধ, উদরের উর্ধাংশ ব্যথাময়, সোজা হয়ে দাঁড়ালে উপশম। ব্যথা এক স্থান হতে অন্য স্থানে চলে যায়। পাকস্থলী ও ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রচণ্ড ব্যথা।
Hydrastis
হাইড্রাসটিস: পাকস্থলীতে অবিরত অল্পাদিক টানো বোধ। পরিপাক শক্তি দুর্বল, তিতাস্বাদ, পাকস্থলী এবং অন্ত্রে খোঁচা মারার মত ব্যথা। পেটের উপর অংশে দপদপানি, ক্ষুধাহীনতা, পাকস্থলীর জ্বালা। লিভারের ক্রিয়াহীনতা, জন্ডিস রোগ, পিত্তথলির পাথর, দক্ষিণ কুচকিতে টান ধরা ব্যথা।
Laurocerasus
লরোসিরেসাস: পাকস্থলীতে প্রচন্ড ব্যথা। এত ব্যথা যে কথা বলতে পারেনা। মুখের মাংসপেশি এবং খাদ্যনালীর খিঁচুনি। লিভারে জ্বালা বা স্পিনে জ্বালা এর ক্ষেত্রেই বেশি ব্যবহার হয়।
Lycopodium Clavatum
ল্যাকোপোডিয়াম: পুরা পেটে গ্যাস থাকে এবং ডান কাঁধে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে, ব্যথা যদি বিকেল চারটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। রোগী যদি মিষ্টি প্রিয় থাকে আর গরম খাবার তার পছন্দ থাকে, রোগ যাই হোক না কেন ল্যাকোপোডিয়াম ঔষধি হবে তার স্পেসিফিক ঔষধ।
একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার জানে রোগীর ধাতুগত লক্ষণ কোনটা। আমি একটা রোগীকে শুধু Kali Carb প্রয়োগ করে সুস্থ করেছি।কারণ আমার কাছে মনে হয়েছিল রোগীর লক্ষণগুলো যা দিয়েছিল আমাকে সব Kali Carb এর সাথে মিল আছে।
পিত্তথলির পাথর কেন হয়
অনন্য শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায়, পিত্তকোষে সঞ্চিত পিত্তরস পিত্তনালী (Bile duct) দিয়ে ধীরে ধীরে ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ বা ডিউডেনামের মধ্যে প্রবাহিত হয়। আহারাদির দোষে অথবা পিত্তকোষের বা পিত্তনালীর প্রদাহজনিত কারণে এই পিত্তপ্রবাহ বিঘ্নিত হতে পারে,এর ফলে পিত্তরস জমাট বেঁধে যায় এবং ধীরে ধীরে পিত্তথলির পাথর দেখা দেয়।
যদি পিত্তথলির পাথর খুব ছোট হয় বা বালু কণার মত থাকে তা অনেক সময় আপনা থেকেই বেরিয়ে যায় এবং কখন বেরিয়ে যায় তা ঠিক বুঝা যায় না। তবে পিত্তথলির পাথর আকারে বড় হলে বেরিয়ে যেতে পারে না তখন ব্যথার সৃষ্টি হয় এবং রোগী কষ্ট পায়।
পিত্তকোষ অঞ্চলে মাঝে মাঝে ব্যথা এই লক্ষণটি দেখে অনেক সময় রোগটি ধরা যায় আবার অনেক সময় দিনভর পিত্তথলির পাথর পিত্তকোষে থেকে যায় এবং তা সত্ত্বেও রোগী কোন ব্যাথার অনুভব করে না । এই রোগ হলে পিত্তক্ষরণ যথারীতি হতে পারে না।
সর্বদা ঘরে বসে মানসিক পরিশ্রম করা, মাছ মাংস প্রভৃতি উত্তেজক খাদ্য গ্রহণ,অধিক পরিমাণে চুন খাওয়া বা যান্ত্রিক কোন গোলযোগ হেতু এই রোগ হতে পারে।
পাথর যতদিন পিত্তকোষের মধ্যে থাকে ততদিন রোগী তেমন কিছু অনুভব করে না। মাঝে মাঝে অবশ্যই সামান্য ব্যাথার সৃষ্টি হয় মাত্র কিন্তু যখন এই পাথর পিত্তকোষে হতে পিত্তনালীতে এসে পড়ে তখন হঠাৎ সে স্থানে প্রচন্ড ব্যথার সৃষ্টি হয় এবং রোগী ব্যথায় অস্থির হয়ে পড়ে।
Read More:হোমিও ঔষধের নামের তালিকা ও কাজ
পিত্তথলির পাথর এর কারণ
এই রোগের কারণ হিসাবে এখানে উল্লেখ করা যায়—“Some gail stones are composed almost wholly of calcium salts or bilirubin. The latter are com- monest where there has been prolonged overproduction of bilirubin due to Hemolysis, very little is know about the formation of calcium stones.”
কিছু কিছু পিত্তপাথর ক্যালসিয়াম লবণ অথবা বিলিরুবিন দ্বারা সৃষ্টি হয় তবে বিলিরুবিন দ্বারাই বেশী সৃষ্টি হয়ে থাকে, অতি নগণ্য ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম লৰণ দ্বারা সৃষ্টি হয়।
হেমোলাইসিসজনিত কারণে অতিমাত্রায় বিলিরুবিন সৃষ্টির ফলেই এই পাথর হতে পারে। পিত্তপ্রবাহ ঠিকমত না হলে পিত্ত জমাট বেঁধে যে পাথর সৃষ্টি হয় সেটা পরীক্ষা করে জানা গেছে।

পিত্তথলির পাথর এর লক্ষণ
- প্রচণ্ড ব্যথা ডান Axillary region হতে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে বিশেষ করে ডান কাঁদ ও পিঠে ছড়িয়ে পড়ে। প্রচণ্ড ব্যথায় রোগী ছটফট করে এবং অস্থির হয়ে পড়ে।
- অনেক সময় ব্যথার সঙ্গে বমি, পিত্ত বমি হয়ে থাকে।
- ব্যথার সংগে ঠাণ্ডা ঘাম দেখা দেয়, নাড়ী দুর্বল হয়, ছটফট ভাব এবং হিমাঙ্গে ভাব দেখা দেয়, শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্ট হয়।
- অনেক ক্ষেত্রে রোগীর জণ্ডিস রোগ হয় এবং দেহ হলুদ বর্ণ হয়ে যায়।
- অনেক সময় ২/৩ দিন পর্যন্ত ব্যথা থাকে তারপর ব্যথার নিবৃত্তি হয়। যখন ব্যথার নিবৃত্তি হয় তখন বুঝতে হবে যে পাথর পুনরায় পিত্তকোষে ফিরে গেছে অথবা পিত্তনালী দিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের ডিউডেনামে চলে আসছে। ডিউডেনামে চলে আসলে অনেক সময় মলের সঙ্গে বেরিয়ে যায় আবার মলের সঙ্গে বের না হয়ে ভিতরে থেকে যায় এমন ক্ষেত্রে অপারেশন প্রয়োজন হতে পারে।
- পাথর যখন পিত্তকোষের দ্বার দিয়ে বের হতে থাকে তখন অসহ্য ব্যথার সৃষ্টি হয় এবং ব্যথা পেটের চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- পিত্তকোষ হতে যদি বড় পাথর না বের হয়ে যায় তবে শেষ পর্যন্ত অপারেশন করে বের করার ব্যবস্থা করতে হয় নতুবা রোগী ক্রমাগত কষ্ট ভোগ করতে থাকে। পাথর খুব বেশী হলে বা খুব বড় হলে অপারেশন করতেই হবে।
পরিশেষে বলতে চাই:
যেসব সতর্কতা আপনার জরুরী তা মেনে চলুন। হোমিওপ্যাথিতে পিত্তথলির পাথর আরোগ্যের অত্যন্ত ফলপ্রসূ চিকিৎসা রয়েছে। লক্ষণ অনুযায়ী সঠিক ঔষধ নির্বাচন হলে হোমিওপ্যাথিতে পিত্তথলির পাথর আরোগ্য করা অধিকাংশ সম্ভব।
এর কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই এবং সারা জীবন ঔষধ খেয়ে যেতে হয় না। প্রয়োজন শুধু ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলা। যাতে আপনি আপনার রোগের জন্য সর্বোত্তম চিকিৎসা পান।
আমার এই ব্লগ যদি আপনাদের কাছে ভালো লেগে থাকে তাহলে শেয়ার করবেন এবং নিয়মিত আরো বিভিন্ন বিষয়ে আর্টিকেলগুলো পেতে হলে অবশ্যই আমার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবেন। ধৈর্য ধরে এতক্ষণ আমার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
প্রয়োজনে নিচের ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন-
সিটি হোমিও
রূপায়ন মিলেনিয়াম স্কয়ার,দোকান নং-116
( গ্রাউন্ড ফ্লোর) -70, 70/Aপ্রগতি শরণি,
উত্তর বাড্ডা, ঢাকা 1212,বাংলাদেশ।
01736181642
Resources:

Dr. Khatun invites you to join her in this journey with City Homeo. Your engagement and encouragement are crucial in advancing this endeavor. Together, we can strive towards a healthier community and a better tomorrow.





