|

হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহার

হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহার- অশ্বগন্ধা(Ashwagandha), যা বৈজ্ঞানিকভাবে Withania somnifera নামে পরিচিত, প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে বহুল ব্যবহৃত একটি ঔষধি উদ্ভিদ।

তবে এটি শুধুমাত্র আয়ুর্বেদিক চিকিৎসাতেই নয়, হোমিওপ্যাথিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হোমিওপ্যাথি হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে রোগীর ব্যক্তিগত লক্ষণ ও রোগের কারণ বিবেচনা করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহার
হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহার

অশ্বগন্ধার মূলত শরীরের সামগ্রিক শক্তি বৃদ্ধি, মানসিক চাপ কমানো এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় এর বহুমুখী কার্যকারিতা মানুষের সুস্থ জীবনযাপনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে।

এই প্রবন্ধে আমরা হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহারের বিভিন্ন দিক, উপকারিতা, এবং এর সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করব। অশ্বগন্ধার শক্তি ও কার্যকারিতা সম্পর্কে জানলে আপনারও এই প্রাকৃতিক ঔষধের প্রতি আগ্রহ জন্মাবে।

বাংলা নাম:  অশ্বগন্ধা। Withania somnifera. উইথানিয়া সোমনিফেরা(ল্যাটিন নাম)

অন্যান্য নাম: আয়ুর্বেদ অনুযায়ী অশ্বগন্ধার আরেকটি নাম হলো বলদা, ভারতীয় জিনসেং এবং বাজীকরী। হোমিওপ্যাথিতে অশ্বগন্ধা Withania somnifera নামে পরিচিত।

উৎস্য: উদ্ভিদ জাতীয় ঔষধ। এটি Solanaceae গোত্রের একটি ছোট গাছ।

ক্রিয়াস্থল: রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থা, ভেনাস, উদর, পরিপোষণ যন্ত্র, মলদ্বার (রেকটাম), বুক, ত্বকের গ্রন্থি, গ্রন্থিগুলি, স্নায়ুমণ্ডলী এবং শ্বাসযন্ত্র।

 

অশ্বগন্ধা গাছটি চেনার উপায়

গাছটির চেহারা দেখতে বেশ আকর্ষণীয়: এটি কেন্দ্রীয় কান্ডসহ প্রায় ২.৫ থেকে ৫ ফুট পর্যন্ত লম্বায় বেড়ে ওঠে। পাতাগুলো ডিম্বাকার আকৃতির এবং একান্তর(একটির পর একটি করিয়া বাদ দিয়া অবস্থিত) সাজানো। শাখাগুলো চারদিকে তেজস্ক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে থাকে এবং সূক্ষ্ম চুলে আচ্ছাদিত।

ফুলগুলো বাইরের দিকে সবুজ এবং ভেতরে হলুদ রঙের। পাকা ফলগুলো মসৃণ কমলা-লাল বেরির মতো, যা একটি কাগজের মতো ক্যালিক্স আবরণের ভেতরে থাকে। শিকড়গুলো লম্বা ও বাদামী। হোমিওপ্যাথিতে এ গাছের মূলটি ওষুধের জন্য ব্যবহৃত হয়।

 

অশ্বগন্ধা নাম রাখার কারণ

ঔষধটির নাম একটি প্রাণীর নামে রাখা হয়েছে কারণ ঔষধটির ক্রিয়াশক্তিও ঐ প্রাণীর ক্রিয়ার সাথে মিল আছে। অশ্বের একটি বিশেষ অঙ্গ হলো তার লিঙ্গ (penis)। এই ঔষধটির মূলের আকৃতিও অশ্বের (penis)লিঙ্গের মতো। আবার এর গাছ-পাতা সিদ্ধ করলে এমন একটা উৎকট গন্ধ বের হয়, যার গন্ধ ঠিক অশ্বমূত্রের গন্ধের মতো।

অন্যদিকে কার্যকারিতার দিক থেকে অশ্বগন্ধা এমন এক শক্তিশালী ঔষধ যা মানবদেহে অশ্বের মতো শারীরিক এবং মানসিক দিক থেকে লক্ষণগুলো প্রকাশ করে, কর্মশক্তি ও যৌন উত্তেজনা এনে দেয়। এর পুরুষত্ব (virility) অশ্বের মতো প্রখর, মূল অংশ অশ্বের শরীরের মতো দৃঢ়, এবং গন্ধ অশ্বের মূত্রের মতো বলে একে ‘অশ্বগন্ধা’ নামকরণ করা হয়েছে।

সুতরাং অশ্বগন্ধা সেবনে কতগুলো রোগে মন্ত্রের মত কাজ দেয়। নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্যই এটি বাজীকরী অর্থাৎ যা কামোদ্দীপনা বা উত্তেজনা এবং যৌনশক্তি বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। (Impotence)পুরুষত্বহীনতায় এটি একটি শ্রেষ্ঠ ওষুধ।

প্রাচীন গ্রন্থ থেকে জানা যায়, সে যুগে বিলাসিনী নারীরা অশ্বগন্ধার মূল বেঁটে দেহে লেপন করতো। তাতে দেহকান্তির উন্নতি বাড়তো, যৌন উত্তেজনা জাগ্রত হতো এবং যৌনশক্তি বৃদ্ধি পেতো।

হোমিওপ্যাথিতে অশ্বগন্ধার ব্যবহার
হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহার

হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা

হোমিওপ্যাথিক মতে ইহা সুস্থদেহে আজও পর্য্যন্ত প্রুভিং হয় নাই। কিন্তু হোমিওপ্যাথিক ফার্মাকোপিয়া মতে ইহার মূল অরিষ্ট প্রস্তুত হয়ে উপরোক্ত ব্যাধিসমূহে বিশেষ ফলপ্রদ ভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষত: ধ্বজভঙ্গ এবং ধাতুদৌৰ্ব্বল্যে ও যৌনশক্তি বৃদ্ধির জন্য সফলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সিফিলিস, বাত, অতিরিক্ত মানসিক পরিশ্রমের জন্য শরীরিক ক্ষয় ইত্যাদি রোগে বিশেষ উপকারী। চলুন জেনে নেওয়া যাক অশ্বগন্ধা আর কি কি রোগে সুনামের সাথে ব্যবহার হয়ে আসতেছে –

Abortion(গর্ভপাত)

নিম্নশক্তিতে গন গন প্রয়োগের ফলে গর্ভপাত হয়ে যায়। তাই গর্ভাবস্থায় সাধারণত নিম্নশক্তিতে ব্যবহার করা নিষেধ থাকে।

গর্ভবতী স্ত্রীলোক টনিক হিসাবে

গর্ভাবস্থায় শক্তিকূত এই ঔষধ মহিলাদের টনিক হিসেবে কাজ করে। কারণ এটি  মা এবং সন্তানের দেহের ক্ষয় পূরণে পরিপুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে।তবে নিম্ন শক্তিতে সাবধান।

সুনিদ্রা হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহার

মানসিক উদ্যোগ হতে সৃষ্টি থেকে এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি জনিত কারণে অনিদ্রায় এই ঔষধটি সুনামের সাথে প্রয়োগ হয়ে আসতেছে।

গ্রন্থিস্ফীতিতে

অশ্বগন্ধা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির কার্যকারিতা শক্তি ও সমৃদ্ধি করে, যা কর্টিসল হরমোন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে থাইরয়েডের টিস্যুর কার্যক্রম পুনরুদ্ধার এবং হরমোন নিঃসরণ প্রক্রিয়া বিকশিত হয়। যে কোন গ্রন্থিস্ফীতিতে রোগী যখন কষ্টে কাতরাতে থাকে সেই অবস্থায় অশ্বগন্ধা ঔষধটি কষ্ট থেকে মুক্তি দেয়।

ধাতুদৌর্বল্য এবং ধ্বজভঙ্গ হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহার

ধাতুদৌর্বল্য এবং ধ্বজভঙ্গের মতো সমস্যার সমাধানে এটি সহায়ক হতে পারে। এটি যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে, পুরুষত্বহীনতা বা লিঙ্গোত্থান অক্ষমতার (Erectile Dysfunction) মতো উপসর্গ দূর করতে সাহায্য করে এবং যৌন আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি করে।

মেয়েদের জন্য অশ্বগন্ধার উপকারিতা

স্ত্রী যৌনাঙ্গের যেকোনো রোগ দেখা দিলে স্ত্রী যৌনাঙ্গের উপর এই ঔষধের বিশাল কাজ আছে। বিলম্বিত ও অনিয়মিত ঋতুস্রাব, রজোলপ ও অতিরজো, ওভারিতে ব্যথা,  মেনোপোজ চলাকালীন যেকোন উপসর্গে, বন্ধ্যাত্ব এবং সহবাসে (intercourse) অনীহা।

ছেলেদের জন্য অশ্বগন্ধার উপকারিতা

শুক্রাণু বৃদ্ধিতে(sperm count decreases)হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও ব্যবহার পুরুষের শুক্রাণু কমে গেলে, পুরুষের শুক্রাণু কমে যাওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে – যেমন ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ, অণ্ডকোষের শিরা স্ফীত হওয়া।

হরমোনজনিত সমস্যা, সংক্রমণ, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ধূমপান, মদ্যপান, অতিরিক্ত ওজন, অপুষ্টি, ঘুমের অভাব, তীব্র মানসিক চাপ ইত্যাদি। এই সকল কারণ শুক্রাণু উৎপাদনকে কমিয়ে দিতে পারে। অশ্বগন্ধা শুক্রাণু বৃদ্ধিতে সাহায্য করে. টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধি

বাত

যেকোনো বাতজনিত ব্যথা ও ফোলাভাব থেকে মুক্তি পাবার জন্য ঔষধটির সাথে যদি অশ্বের লক্ষণের সাথে মিল থাকে তবে এই ঔষধটিই হবে ঐ রোগের জন্য স্পেসিফিক ঔষধ।

ডিসপেপসিয়া(Dyspepsia)

পেটের উপরের অংশে ব্যথা বা অস্বস্তির মতো, যা মাঝে মাঝে অম্বলের মতো অনুভূত হয় সাথে যদি অশ্বগন্ধার লক্ষণ গুলোর সাথে মিলে যায় তাহলে আমরা এই ঔষধটি দিয়ে রোগ সরাতে পারি।

ক্ষুধামান্দ্য

খাবারের প্রতি রুচি কমে যাওয়াকে অরুচি বা ক্ষুধামান্দ্য (অ্যানোরেক্সিয়া) বলা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে রুচির অভাব থাকলে এটি বিভিন্ন গুরুতর বা জটিল রোগের লক্ষণ হতে পারে। পাশাপাশি, এটি মানসিক সমস্যারও ইঙ্গিত দিতে পারে। তখন এই অশ্বগন্ধা  একমাত্র আলোর দিশা দেখাতে পারে।

ক্ষীণস্বাস্থ্য

অনেক সময় খাবার রুচি হয় না আবার খাবারে অরুচিও  দেখা যায় পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার পরও শুকিয়ে যায়। খায়-দায় অথচ গায়ে লাগে না। পরিপ্রেক্ষিতে রক্তমাংসও আর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় না— শীর্ণতা চলতে থাকে। তখন এই ঔষধটি চমৎকার কাজ করে।

স্ট্রেস

সমস্ত রোগের কেন্দ্রবিন্দুই হল স্ট্রেস। ডায়াবেটিস বলেন হাই প্রেসার বলেন স্ট্রোক বলেন আর ট্রেস থেকে মুক্তি পাবার জন্য টনিক হিসেবে হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার ব্যবহার হয়।   .

হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ

কোলেস্টেরল বৃদ্ধি উচ্চ রক্তচাপের জীবনের উপর হুমকির কারণ। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ রক্তনালীগুলিকে সংকুচিত করে এবং রক্তচাপ বাড়াতে পারে। অশ্বগন্ধার অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ রক্তনালীগুলিকে শিথিল করতে এবং রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

ডিপ্রেশন ও অ্যাংজাইটি

অশ্বগন্ধা মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা মেজাজ, ঘুম এবং মনোযোগ কেন্দ্রীকরণ হয়।অশ্বগন্ধা কর্টিসল হরমোনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। কর্টিসল মানসিক বৃদ্ধি করে, এবং এর মাত্রা কমলে মস্তিষ্ক শান্ত হয়।

এটি গামা-অ্যামিনোবিউটরিক অ্যাসিড (GABA) এর কার্যক্রম বাড়ায়, যা মস্তিষ্কের শান্তি ও স্থিরতা বজায় রাখে। ডিপ্রেশন ও উদ্বেগের কারণে অনেকেই অনিদ্রার সমস্যায় ভোগেন। অশ্বগন্ধা মস্তিষ্ককে শিথিল করে ঘুমের সমস্যার সমাধান করে।

Read More:ডিপ্রেশনের চিকিৎসা

স্নায়ু

অতিরিক্ত উদ্দীপনা ছাড়াই স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত ও শক্তিশালী করে। এটি কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের জন্য টনিক হিসেবে কাজ করে। উদ্বেগ, স্নায়বিক ক্লান্তি, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা, অনিদ্রা, ADHD এবং শারীরিক ও মানসিক অতিরিক্ত পরিশ্রমের ফলে সৃষ্ট দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর। এটি মনকে শান্ত করে এবং গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের উন্নতি ঘটায়

থাইরয়েড

হাইপোথাইরয়েড রোগে উপকারী। এন্ডোক্রাইন ফাংশন বৃদ্ধি করে।

ধ্বজভঙ্গ,(impotence)

পুরুষ এবং মেয়ে উভয়েরই এই ওষুধটি যৌন শক্তি বা ইচ্ছা বৃদ্ধি করে। পুরুষত্বহীনতা,ধাতু দৌর্বল্যে স্পেসিফিক হিসেবে হোমিওপ্যাথিক অশ্বগন্ধার ব্যবহার।

সিফিলিস রোগ

যেকোনো ক্ষতে বিশেষ করে সিফিলিস রোগে অশ্বগন্ধা খুবই উপকারী। Treponema pallidum ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সিফিলিসের সৃষ্ট হয়।

রূপচর্চায় অশ্বগন্ধা

রূপচর্চায়ও এর অনেক উপকারিতা রয়েছে। অশ্বগন্ধা  চামড়ার টানটান ভাব এনে অ্যান্টি-এজিংএর মতো কাজ করে। এটি ত্বককের কোষের পুনর্নির্মাণে সাহায্য করে এবং তরুণ ও উজ্জ্বল রাখে। অশ্বগন্ধা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি (প্রদাহ কমানো) যা ব্রণ ও পিম্পল হতে দেয় না।চুলের বৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে এবং চুলের ঝরে পড়া কমায়।

ইতিহাসে জানা যায় ডক্টর এস সি ঘোষের দ্বারা মেদিনীপুর হোমিওপ্যাথিক রিসার্চ সেন্টার, ডব্লিউ বেঙ্গল, ভারতে প্রমাণিত হিন্দুস্তানের ওষুধ। ।

সতর্কতা: অশ্বগন্ধা দীর্ঘমেয়াদি বা অতিরিক্ত ডোজ গ্রহণ ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী এবং অটোইমিউন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়।

মাদার টিংচার দীর্ঘাদিন ব্যবহারের ফলে গুরুতর গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল দেখা দেয়। তবে, যেকোনো ওষুধ ব্যবহার করার আগে অবশ্যই একজন যোগ্য হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সঠিক মাত্রা ও ব্যবহারের পদ্ধতি মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সিটি হোমিও রূপায়ন মিলেনিয়াম স্কয়ার,
দোকান নং-116( গ্রাউন্ড ফ্লোর -70, 70/Aপ্রগতি শরণি,
উত্তর বাড্ডা, ঢাকা 1212,বাংলাদেশ।
01736181642

 

Resources:

    1. https://mediajx.com/
    2. https://bookmark-dofollow.com/

 

Similar Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *