হরমোন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি(২০২৫)

হরমোন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি(২০২৫) – Hormone(হরমোন)হল রাসায়নিক পদার্থ যা শরীরে মেসেঞ্জার অণুর মতো কাজ করে। শরীরের এক অংশে তৈরি হওয়ার পরে, তারা শরীরের অন্যান্য অংশে ভ্রমণ করে যেখানে তারা কোষ এবং অঙ্গগুলি কীভাবে তাদের কাজ করে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

উদাহরণ স্বরূপ, অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ দ্বারা তৈরি হয় ইনসুলিনের এ হরমোন। যখন এটি রক্তে প্রবাহিত হয়, তখন ইনসুলিন শরীরের কোষগুলি কীভাবে শক্তির জন্য গ্লুকোজ (এক ধরনের চিনি) ব্যবহার করে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে।

হরমোন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি
হরমোন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

 

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা হরমোন প্রতিস্থাপনের বিকল্প:

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা করালে এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যুক্ত হরমোন চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা অনেক কমে আসে। ধাতুগত হোমিওপ্যাথিক ঔষুধ আমাদের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াগুলিকে এমনভাবে পুননির্মান করে যাতে হরমোনের অভাবজনিত যেসব উপসর্গ সৃষ্টি হয়, সেগুলি অনেক কমে আসে।

হরমোনের সমস্যা দূর করার ঔষধ

মাসিক বন্ধ হওয়া বা জরায়ু সম্পূর্ণ কেটে বাদ দেওয়ার (টোটাল হিস্টেরেক্টমি) পরবর্তী উপসর্গে সিপিয়া, নেট্রাম মিউর, পালসেটিলা, সালফার, লাইকোপোডিয়াম দারুণ কাজ দেয় পলিসিস্টিক ওভারীতে এই ওষুধগুলো ছাড়াও ল্যাকটুকা ভিরোসা, ফলিকুলিনাম, ওভারী ইত্যাদি অরগ্যান স্পেসিফিক ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।

জরায়ুর ফাইব্রয়েড টিউমারেও থ্যালাস্পি, কোনিয়াম, থুজা, ফ্রাক্সিনাস ঔষুধগুলি ইন্টারকারেন্ট হিসাবে ব্যবহার করা হয়। ক্যান্সারের যন্ত্রনা প্রশমনেও হোমিওপ্যাথিতে নিৰ্দ্দিষ্ট ঔষুধ আছে। এছাড়া অতিরিক্ত হরমোন ট্যাবলেট বা ইনজেকশন নেওয়ার কুফল দূর করতেও হোমিওপ্যাথি অদ্বিতীয়। এক্ষেত্রে অ্যারিস্টোলোকিয়া, সিপিয়া ফলিকুলিনাম ইত্যাদি ঔষুধের নাম নেওয়া যেতে পারে।

সুতরাং ভয় পাওয়ার কিছু নেই। হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসার বিকল্প আছে। আর সেই বিকল্প হল সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মুক্ত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা। অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথের পরামর্শ নিন। সুস্থ থাকুন।

হোমিওপ্যাথিক মতে লক্ষণ সমষ্টিই রোগ এবং তার প্রতিকারার্থে আনুসঙ্গিক যা কিছু, পর্যবেক্ষণ, পরিদর্শন ও অনুসন্ধানের প্রয়োজন, তা নিখুঁতভাবে সম্পাদন করতে পারলে আরোগ্যের আশা নিশ্চিত। এখানে মোটামুটি বিভিন্ন অবস্থা অনুপাতে কতিপয় ঔষধের বিষয় উল্লেখ করলাম, তা নিম্নরূপ :-

হরমোনের সমস্যা দূর করার হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

ল্যাকটুকা ভিরোসা  (Lactuca vir):

ব্রেনের পিটুইটারী-হাইপোথ্যালামাস – ওভারী অ্যাক্সিসের উপর কাজ করে। তাই হমোনজনিত গন্ডগোলে কারোর মাসিক বন্ধ হয়ে গেলে বা বাচ্চা হওয়ার পরে মেয়েদের বুকে দুধ না এলে (অ্যাসাফোটিডা) এই ঔষুধটি ইন্টারকারেন্ট রেমিডি হিসাবে ব্যবহার করবেন।

BEST ফলিকুলিনাম (Folliculinum):

মহিলাদের হরমোনজনিত সমস্যার কারণে, তারা অন্যান্য সমস্যার মধ্যে মাসিক অনিয়মিত, তলপেটে এবং ডিম্বাশয়ে ব্যথা এবং মাসিকের আগে বা পরে বুকে ব্যথা অনুভব করে।

আমি এই সমস্যাগুলির জন্য ইন্টারকারেন্ট ঔষুধ হিসাবে ফলিকুলিনাম ব্যবহার করি। যদি সিপিয়া, ক্যাল্কেরিয়া কার্ব, কোনিয়াম ইত্যাদি ধাতুগত ঔষুধ লক্ষনানুসারে দিয়ে কাজ না হয়, তাহলে আপনি এটি ব্যবহার করার চেষ্টা করতে পারেন।

ফ্রাক্সিনাস আমেরিকানা (Fraxinus americana):

ইস্ট্রোজেন হর্মোনজনিত সমস্যার জন্য জরায়ুর টিউমার, জরায়ু বড় হয়ে যাওয়া এবং মাসিকের সময় প্রচণ্ড ব্যথার মতো সমস্যা সৃষ্টি করে। মাথার মধ্যে গরম বোধ এর একটি বিশিষ্ট লক্ষণ।

অ্যারিস্টোলোকিয়া ক্লিমেটিস (Aristolochia Climatis):

মাসিকের সমস্যা, বন্ধ্যাত্ব ইত্যাদিতে যদি গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়ার ইতিহাস থাকে তবে অ্যারিস্টোলোকিয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঔষুধ। রোগী শীতকাতর। এর লক্ষণাবলী পালসেটিলা (আবেগপ্রবণতা), সিপিয়া (শৈশবে মা-বাবা বা পারিবারিক দমন-পীড়নের ইতিহাস) ও আর্নিকার (চোট লাগার ইতিহাস)

হরমোন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি
হরমোন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

 

প্রোজেস্টেরন (Progesterone):

উচ্চ প্রোজেস্টেরণযুক্ত ট্যাবলেট খেয়ে গর্ভপাতের ইতিহাস ও তারপর বন্ধ্যাত্ব হলে ইন্টারকারেন্ট হিসাবে প্রোজেস্টেরণ দিতে হতে পারেন।

কর্টিসোন (Cortisone):

স্টেরয়েড চিকিৎসার কুফল দূর করার শ্রেষ্ট ঔষুধ। রোগীর চেহারা মোটাসোটা, মুখটা ফোলা।

স্যাবাল সেরুলাটা (Sabal ser):

পুরুষ বা মহিলাদের অ্যান্ড্রোজেন, টেস্টোস্টেরন হর্মোনের বৃদ্ধিজনিত সমস্যার অন্যতম ঔষুধ। ওভারীতে ব্যথা, মেয়েদের স্তনের আকার ছোট হওয়া, বিকৃত কামপ্রবৃত্তি ইত্যাদি এর নির্দেশক লক্ষণ।

সালফার (Sulphur):

রজঃ নিবৃত্তির পর মেয়েদের মাথা, মুখে হঠাৎ গরমের ঝলকানি হলে শ্রেষ্ট ঔষুধ। ১০M, 50M প্রভৃতি উচ্চ শক্তিতে ব্যবহার করলে ভালো ফল দেয়।

মেডুসা (Medusa):

পূর্ববর্তী সন্তানদের ক্ষেত্রে বুকে দুধ না আসার ইতিহাস থাকলে পরবর্তী গর্ভসঞ্চারের সময় থেকে এই ঔষুধটি ব্যবহার করলে বুকে দুধ আসে। এই হলো  হরমোন(হরমোন) চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি।

 

হরমোন কি ও এর কাজ কি?

হরমোন চিকিৎসায় মূলত:

ইন্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন-এই দুই হরমোন দিয়ে হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা করা হয়। এই দুটি হরমোন মেয়েদের ওভারী বা ডিম্বকোষ থেকে স্বাভাবিক ভাবে নিঃসৃত হয়।

মহিলাদের বক্ষের আকার বৃদ্ধি, মাসিক হওয়া থেকে শুরু করে নানারকম শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার পিছনে এই হরমোন দুটি অপরিহার্য্য ভূমিকা পালন করে। তাই যেসব মহিলার মাসিক বন্ধ হয়ে গেছে (মেনোপোজ) বা কোন কারণে ওভারী সহ জরায়ু কেটে বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁদের এই হরমোনের অভাবে শারীরের নানা উপসর্গ দেখা দেয়।

Read More:থাইরয়েডের চিকিৎসা হোমিওপ্যাথিতে

টিউমার কিউর হোমিওপ্যাথিতে

  • কারোর মুখ ও মাথায় আগুনের ঝলকের মতো গরম ভাব অনুভূতি হয়,
  • কারোর ক্যলসিয়ামের বিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হয়ে হাড় ভঙ্গুর হতে শুরু করে।
  • ফলে অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙ্গে যায়।
  • হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বাড়ে।
  • যে সব মহিলাদের মহিলাসুলভ আকৃতি প্রকাশিত হয়নি।
  • ট্রান্সজেন্ডারদের ক্ষেত্রেও এই ঘটনা ঘটে।

বর্তমান যুগের একটি অত্যন্ত প্রচলিত রোগ পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজের পিছনের ইস্ট্রোজেন প্রজেস্টেরনের গন্ডগোল দায়ী। তাই প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিতে এইসব ক্ষেত্রে উপসর্গগুলি নিবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে কৃত্রিম ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোন ট্যাবলেট বা ইনজেকশন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। একেই বলে হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসা।

  • এছাড়াও গর্ভনিরোধক হিসাবে,
  • অবাঞ্ছিত গর্ভাসঞ্চার হলে গর্ভপাত করতে,
  • জরায়ুর ফাইব্রয়েড টিউমার ও ক্যান্সার প্রতিহত করতে,
  • মাসিক ব্যথা হ্রাস করাতে পারে এবং এই দুটি হরমোন নির্দিষ্ট হরমোন-সংবেদনশীল ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

কিন্তু সম্প্রতি উইমেন্সস হেলথ ইনিসিয়েটিভ এবং দি মিলিয়ান উইমেন স্টাডি দলের সমীক্ষায় এই হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসার কিছু ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া উঠে এসেছে। তাঁদের গবেষণায় জানা গেছে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন মিশ্রিত হরমোন বড়ি দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হতে পারে।

হরমোন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি
হরমোন চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি

শরীরে হরমোনের ভারসাম্যের অভাবজনিত কয়েকটি উপসর্গ

মানবদেহে হরমোনের ভারসাম্যহীনতার বিভিন্ন কারণ রয়েছে, যেমন ক্রমাগত দূষণ, বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসা, শরীরের মেকানিক্সের পরিবর্তন, শারীরিক সমস্যা ইত্যাদি। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা এই সমস্যাগুলো বুঝতে পারি না মনে হয়।

যাইহোক, যদি নিম্নলিখিত লক্ষণগুলি উপস্থিত থাকে তবে আপনাকে অবিলম্বে সতর্ক হওয়া উচিত:

(১) ক্রমাগত ওজন বাড়তে থাকা:

অনেক মহিলারই হু হু করে ওজন বেড়ে যায়, অনেক চেষ্টা করেও যখন তার কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। তখন রক্তপরীক্ষা করে বুঝতে হয় হরমোনের ভারসাম্যের অভাবহেতুই এই সমস্যা হচ্ছে। এসময়ে কিছুটা ডায়েট নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ময়দার খাবার, হাই গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত কোনও খাবার খাওয়া চলবে না।

(২) পেটের চর্বি বৃদ্ধি এবং শরীরের ভর হ্রাস:

আপনার সমগ্র হরমোনাল প্রক্রিয়া নানাভাবে স্ট্রেসের মধ্যে থাকলে কোনও কোনও হরমোনের কম নিঃসরণ ও কোনও হরমোনের বেশি নিঃসরণ (বিশেষ করে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসোল) সমস্যা হয়। আর হরমোনের এই ভারসাম্যের অভাবে ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য শরীর ফ্যাট সঞ্চয় করে রাখে। আর অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এই ফ্যাট জমা হচ্ছে শরীরের মধ্যভাগে পেটে।

(৩) যৌন সহবাসের ইচ্ছা কমে যাওয়া:

আমাদের শরীরে যে হরমোনের ভারসাম্যের অভাব ঘটছে, তা বোঝার অন্যতম প্রধান উপসর্গ হল যৌন সহবাসের ইচ্ছা কমে যাওয়া। আর তার শুরুটা হয় ঘুমের ব্যাঘাত দিয়ে। ভালো ঘুম না হলে শরীরের প্রয়োজন অনুসারে সেক্স হরমোন তৈরিও হবে না।

(৪) অতিরিক্ত ক্লান্ত লাগা:

সবসময়ে শারীরিক বা মানসিকভাবে অবসন্ন লাগা, অল্পেতেই ক্লান্ত হয়ে পড়া, বেশি হাঁটাহাঁটি করতে না পারা, কোনও কাজে উৎসাহ না পাওয়া এগুলি হরমোনের ভারসাম্যের অভাবের দিকেই ইঙ্গিত করছে। সঙ্গে রক্তশর্করার পরিমাণটাও দেখা উচিত, ইনসুলিন হরমোন কীভাবে কাজ করছে।

(৫) অকারণ দুশ্চিন্তা, অস্বস্তি, অবসাদ:

আপনি কি কখনও অনুভব করেন যে আপনার মনে এমন কিছু আপনাকে বিরক্ত করছে যা আপনাকে অস্বস্তিকর করে তোলে বা আপনি সর্বদা উদ্বিগ্ন বা আপনার সমস্ত কিছুতে অস্বস্তি বোধ করেন।

দুশ্চিন্তা আর অবসাদ নিশ্চিতভাবে নির্দেশ করে যে শরীরে কোথাও না কোথাও ভারসাম্যের অভাব ঘটছে, হয় অতিরিক্ত কাজ হয়ে যাচ্ছে, কিংবা কোনও বিষয় নিয়ে অনবরত ভেবে যাওয়া। এর ফলেও হরমোনের নিঃসরণ কমবেশি হতে পারে। নিজের মনের কথা শুনুন এবং এইসব মানসিক সমস্যা হলে চেপে রাখবেন না ।

(৬) অতিরিক্ত ঘাম হওয়া:

বেশিরভাগ মহিলাদের মধ্যে, হরমোনের ভারসাম্যহীনতার প্রধান লক্ষণগুলির মধ্যে একটি হল ভীষণ ঘেমে যাওয়া, বিশেষ করে রাতে ঘুম ভেঙে গিয়ে হিট ফ্লাশ হওয়া, খুব শীত থাকলেও মনে হয়।

(৭) হজমের সমস্যা:

গ্যাস, অ্যাসিডিটি, পেটফাঁপা ইত্যাদিও সরাসরি হরমোনের ভারসাম্যের অভাবের সঙ্গে সংযুক্ত।

(৮) অতিরিক্ত খাওয়া বা সবসময়ে একটা খিদে পাওয়ার অনুভূতি:

এমনটা সবসময়ে হয় না যে এগুলি শুধুমাত্র গ্যাস্ট্রিক আলসারের উপসর্গ। হরমোনের ভারসাম্যে তারতম্য ঘটলেও এরকমটা হওয়া অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ করে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলে ও অন্য হরমোনের ইমব্যালেন্স হলে।

তবে, যেকোনো ওষুধ ব্যবহার করার আগে অবশ্যই একজন যোগ্য হোমিওপ্যাথি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সঠিক মাত্রা ও ব্যবহারের পদ্ধতি মেনে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সিটি হোমিও

রূপায়ন মিলেনিয়াম স্কয়ার,
দোকান নং-116( গ্রাউন্ড ফ্লোর -70, 70/Aপ্রগতি শরণি,
উত্তর বাড্ডা, ঢাকা 1212,বাংলাদেশ।
01736181642

Resources:

  1. https://www.quora.com/
  2. https://www.city-data.com/blog/

Similar Posts