ঔষধ নির্বাচন কৌশল
ঔষধ নির্বাচন কৌশল – সর্ব প্রথমে অর্গানন ৮৩ থেকে ১০৪ সুত্র মতে ঔষধ নির্বাচনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ রোগী লিপি প্রণয়ন করতে হবে। তার জন্য লাগবে রোগের লক্ষণ এবং রোগীর লক্ষণ। ঔষধ নির্বাচন ।এখন প্রশ্ন হচ্ছে
লক্ষণ সমষ্টি কি?

লক্ষণসমষ্টি হচ্ছে রোগীর রোগের সাধারণ লক্ষণ ও রোগীর বৈশিষ্ট্যমূলক লক্ষণের সমষ্টি। একটি ঔষধের মধ্যে কিংবা একজন রোগীর মধ্যে প্রধানত দু’প্রকার লক্ষণই বর্তমান থাকে। এগুলি হচ্ছে সাধারণ লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্যমূলক লক্ষণ।
একজন চিকিৎসক যখন একজন রোগীর ঔষধ নির্বাচনের জন্য রোগীর মধ্য হতে লক্ষণসমূহ সংগ্রহ করেন তখন তিনি শুধু মাত্র বৈশিষ্ট্যমূলক লক্ষণসমূহই সংগ্রহ করেন এবং বৈশিষ্ট্যমূলক এ লক্ষণ সমষ্টির ভিত্তিতেইরোগীর ঔষধটি নির্বাচন করেন।
এরূপে যে সমস্ত লক্ষণ রোগীর, স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা, জ্ঞান, বুদ্ধি, স্মৃতি, ইচ্ছা প্রভৃতির পরিবর্তন আনয়ন করে সে সমস্ত লক্ষণই হচ্ছে রোগীর মানসিক লক্ষণ এবং ঔষধ নির্বাচনে তাদের মূল্য সবচেয়ে বেশী। আর সার্বদৈহিক লক্ষণসমূহ হচ্ছে ঐ সমস্ত লক্ষণ যে সমস্ত লক্ষণ রোগীর গোটা দেহ বিষয়ক।
যেমন:শীত বা গরমের সহিত রোগীর কিরূপ সম্বন্ধ অর্থাৎ রোগী শীতকাতর না গরমকাতর অথবা বর্ষাকাতর, রোগী গোসল করতে ইচ্ছুক কিনা, রোগী গোসল না করে থাকতে পারে কিনা, গোসলটি রোগীর জন্য উপভোগের বিষয় কিনা, রোগী স্থিারভাবে থাকা পছন্দ করে নাকি ঘুরে বেড়াবার ইচ্ছা করে ইত্যাদি সবই এ সার্বদৈহিক লক্ষণের অন্তর্ভূক্ত।

এছাড়া রোগীর মল, মূত্র, ঘর্ম এবং ঋতু সম্বন্ধীয় যাবতীয় লক্ষণ সার্বদৈহিক লক্ষণের অন্তর্গত। এ সার্বদৈহিক লক্ষণসমূহ সংগ্রহ কালে তাদের অস্বাভাবিকতা অর্থাৎ প্রকৃতি, বর্ণ, গন্ধ, হ্রাস বৃদ্ধি ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিষয় খুব ভালো করে জানতে হয়।এ সমস্ত লক্ষণ দ্বিতীয় শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত এবং মানসিক লক্ষণের পরেই এদের স্থাান। এরপর
ঔষধ নির্বাচনে আঙ্গিক লক্ষণ
আঙ্গিক লক্ষণ হচ্ছে ঐ সমস্ত লক্ষণ যে সমস্ত লক্ষণ রোগীর শরীরের কোন অংশে বা অঙ্গে দেখাদেয়। যেমন: “ আমার পেট বেদনাটি উপুড় হয়ে শয়ন করলে উপশম হয় ” “ আমার মাথা ব্যথাটি চলে বেড়ালে ভাল লাগে বা শয়ন করলে বাড়ে ” ইত্যাদি।
এ লক্ষণগুলি তৃতীয় শ্রেণীর অন্তর্ভূক্ত এবং ঔষধ নির্বাচনে এদের মূল্য সবচেয়ে কম। ঔষধ নির্বাচনের জন্য রোগীর ইচ্ছা অনিচ্ছাই শুধুমাত্র দরকার হয় যেখানে থাকে রোগীর মানসিক ও সার্বদৈহিক লক্ষণ। সুতরাং বোঝাই যাচ্ছে যে মানসিক লক্ষণের পরেই সার্বদৈহিক লক্ষণের অবস্থাান।
Read More:হোমিওপ্যাথিতে আরোগ্য নীতি
স্মরণ রাখতে হবে যে, স্থাানীয় রোগলক্ষণের অপেক্ষা রোগীর মানসিক লক্ষণ আরোগ্য কার্যে একমাত্র সাহায্যকারী। লক্ষণ সমূহের মূল্য অর্থাৎ রোগীরদেহে বিকশিত কোন লক্ষণগুলি ঔষধ নির্বাচনের সহায়ক এবং কোন লক্ষণগুলি নিষ্ফল, তা মেটেরিয়া মেডিকা পাঠ করবার কালে লক্ষ্য রাখতে হয়। তা করলে ঔষধ নির্বাচন অভ্রান্ত হয় একথা সুনিশ্চিত ভাবে বলা যায়।
Near me homeopathic doctor
Near me homeopathic pharmacy
সিটি হোমিও হল
রূপায়ন মিলেনিয়াম স্কয়ার,দোকান নং-116
( গ্রাউন্ড ফ্লোর) উত্তর বাড্ডা, ঢাকা 1212,বাংলাদেশ।
01736181642

Dr. Khatun invites you to join her in this journey with City Homeo. Your engagement and encouragement are crucial in advancing this endeavor. Together, we can strive towards a healthier community and a better tomorrow.






3 Comments
Comments are closed.